Updates

Articles

Articles posted by Radical Socialist on various issues.

মতপ্রকাশের অধিকারের পক্ষে ও পুলিশের অত্যাচারের বিরুদ্ধে র‍্যাডিকাল সোশ্যালিস্টের বিবৃতি

গত ৪ঠা ফেব্রুয়ারী দলিত আন্দোলনের নেতা শরদিন্দু উদ্দীপনকে ফেসবুকে সরস্বতী পুজা সম্পর্কে সমালোচনাত্মক পোস্ট করার ফলে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে থানায় তুলে নিয়ে যায়, দীর্ঘক্ষণ আটক রাখে, এবং এর পর ভারতীয় দন্ডবিধির ৫০৪ ও ৫০৫ দারায় অভিযুক্ত করে। প্রথমত এই ধারাগুলি ‘নন-কগনাইজেবল’, তাই জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ ছাড়া পুলিশ এফ আই আর পর্যন্ত করা আইনসিদ্ধ নয়। দ্বিতীয়ত, এই ঘটনা দেখাচ্ছে, একদিকে যে কোনো সংখ্যালঘু ধর্মীয় আচরণ সম্পর্কে প্রকাশ্য হামলাও এ দেশে পুলিশের নজর এড়ায়, আর অন্যদিকে, হিন্দু সবর্ণ আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে কেউ ফেসবুকে লিখলে পুলিশ তাঁর বাড়িতে ঝাপিয়ে পড়ে। এবং সে বিষয়ে পুলিশের সাম্প্রদায়িকরণ পশ্চিমবংগে অন্য রাজ্যের চেয়ে কম নয়। আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের এই বে-আইনী, কার্যত যে কোনো গুন্ডাবাহিনীর মতো বাড়িতে চড়াও হয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং মতপ্রকাশের অধিকার কেড়ে নিতে চেষ্টা করার নিন্দা করছি।

৭ই ফেব্রুয়ারী এই ঘটনার প্রতিবাদে এপিডিআর, আইপওয়া, আইসা ও অন্য বিভিন্ন গণসংগঠন এবং মানবাধিকার রক্ষা সংগঠন কামালগাছি এলাকায় প্রতিবাদ সভার ডাক দিলে পুলিশ সভার উপর হামলা করে এবং লাঠিপেটা করে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের অবশেষে ছাড়া হলে আবার বিক্ষোভ দেখান হয়, এবং পুলিশ হিংস্র লাঠিচার্জ করে ও নারী সংগঠন, ছাত্র সংগঠন সহ বিভিন্ন গণসংগঠনের কর্মীদের গ্রেপ্তার করে। লাল সেলাম স্লগান দেওয়ার জন্য প্রচন্ড মারা হয়। থানার ভিতরে চলে মারধর। মেরে রক্তাক্ত করা হলেও যথাযথ চিকিৎসা করা হয় নি।   

আজ ৮ই ফেব্রুয়ারী তাদের বারুইপুর কোর্টে তোলা হয়। পুলিশের রেওয়াজ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক অভিযোগ নয়, মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং কোমরে দড়ি বেঁধে আনা হয়েছে, ঠিক ঔপনিবেশিক যুগের শেখা কায়দায়। আদালতে পুলিশ জামিনের বিরোধিতা করে, এবং আজকের মতো আবারও বন্দিদের জেলে রাখা হয়। বন্দীদের মধ্যে এমন ছাত্রীও আছে, যার কাল পরীক্ষা।

র‍্যাডিক্যাল সোশ্যালিস্ট এই সমগ্র প্রক্রিয়াকে তীব্র ভাষায় নিন্দা করছে। আমরা মনে করি, যারা এই ঘটনার মধ্যে নিছক নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের কুকীর্তি দেখছেন তাঁরা বাস্তব পরিস্থিতি থেকে চোখ ফিরিয়ে রাখছেন। ফ্যাসিস্ট-হিন্দুত্ববাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অন্য উগ্র-দক্ষিণপন্থী দল, যেমন তৃণমূল কংগ্রেস, এবং তাদের পরিচালিত সরকার, কোনো মিত্র নয়। নরেন্দ্রপুর থানা পশ্চিমবঙ্গের বাইরে না, এবং রাজ্য সরকার কোন অন্যরকম অবস্থান নেয় নি। সমস্ত বামপন্থী ও গণতান্ত্রিক শক্তিদের বুঝতে হবে, একজনের উপরে আঘাত সকলের উপরেই আঘাত। কারো মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় আক্রমণ হলে, অন্যদের সংহতি জানিয়ে লড়াই করতে হবে।

আমরা দাবী করছিঃ

·         শরদিন্দু উদ্দীপনের উপর থেকে অভিযোগ তুলে নিতে হবে।

·         ৭ই আক্রান্ত প্রত্যেককে অবিলম্বে ছেড়ে দিতে হবে ও মামলা তুলে নিতে হবে।

·         নরেন্দ্রপুর থানার দোষী পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।

 আমরা সকলকে আহ্বান করছি, আগামীকাল , ৯ই ফেব্রুয়ারী, কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা যে প্রতিবাদ মিছিল আহ্বান করা হয়েছে তাতে সামিল হতে  দুপুর ২টোয় বিদ্যাসাগর মূর্তির পাদদেশে জমায়েত হতে।

র‍্যাডিকাল সোশ্যালিস্ট, পশ্চিমবঙ্গ, ৮ই ফেব্রুয়ারী ২০২২  

Radical Socialist statement on Nagaland Murders

The murder of thirteen workers in Oting village, Mon district, Nagaland, is the latest case in myriad cases where the army has used extreme violence against citizens of India, and has remained sheltered behind the law. The false and undemocratic ideas about national integration and a homogeneous India, which the rulers of India have sought to portray since independence, has  repeatedly led to perversions of behaviour by the Centre, never more so than by the Modi government. The murders in Nagaland are the latest addition to these. That Amit Shah in Parliament delivered a trite speech saying the centre ’regretted’ the killings, that an SIT has been formed, and remarks that such ‘incidents’ should not happen in the future mean absolutely nothing. What gives the army impunity is the very existence of laws like the Armed Forces Special Powers Act. The current killings are absolutely the responsibility of the current central government. But the Congress, which is today shouting about it, is the party that passed the Act in the first place. Repeal of AFSPA must become a mass movement, not petty parliamentary scoring for a few days.

Radical Socialist:

·        Condemns the killings of the workers and condoles their families.

·        Demands the repeal of AFSPA

·        Demands the trial of the soldiers and officers responsible for them on charges of murder

·        Demands compensation for the families of every murdered worker

 

7 December 2021

লাখবীর সিংয়ের নৃশংস হত্যা সম্পর্কে র‍্যাডিকাল সোশ্যালিস্টের বিবৃতিঃ

 

১৫ই অক্টোবর ভোররাত্রে লাখবীর সিং নামে এক ৩৫ বছর বয়স্ক মাঝাবি শিখ (যারা দলিত থেকে শিখধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছে) শ্রমজীবীকে দিল্লীর কাছে সিঙ্ঘু সীমান্তে প্রতিবাদ ক্ষেত্রে নৃশংসভাবে অত্যাচার করে হত্যা করা হয়। অভিযোগ করা হয়েছে যে লাখবীর সিং শিখ সম্প্রদায়ের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ চুরি করতে চেষ্টা করেছিল। নিহাং শিখ সম্প্রদায়ের সদস্যরা এগিয়ে এসেছে এবং এই বর্বর কাজের দায়িত্ব স্বীকার করেছে। নিহাং সম্প্রদায়ের নেতারা শুধু যে এই কাজের জন্য কোনো অনুতাপ প্রকাশ করেন নি তাই না, উপরন্তু তাঁরা ঘোষণা করেছেন যে তাঁরা এই কাজকে সমর্থন করেন এবং ভবিষ্যতে এরকম ধর্মের প্রতি অবমাননাকর কাজ হলে আবার এই প্রতিক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি হতে পারে। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা (এস কে এম) ইতিমধ্যেই এই হত্যার নিন্দা করেছে এবং নিহাংদের থেকে নিজেদের দূরত্ব সৃষ্টি করেছে।  হিন্দুত্ববাদী দক্ষিণপন্থীরা এই সুযোগে দ্রুত বলতে চেষ্টা করছে যে কিসান আন্দোলন সার্বিকভাবে আইন-শৃংখলা ভেঙ্গে পড়ার জন্য , এমনকি সার্বিক নৈতিক অবক্ষয়ের জন্য দায়ী। 

 

 

 

প্রথমত, আমরা বামপন্থী হিসেবে, দ্ব্যর্থহীন ভাষায় একজন সাধারণ শ্রমজীবির এই হত্যার নিন্দা করছি। এমনকি যদি সংশয়াতীতভাবেও প্রমাণিত হত, যে লাখবীর সিং ধর্মের প্রতি অবমাননাকর কাজের দোষে দুষ্ট, তবু কোনো ব্যক্তি নিজের হাতে আইন তুলে নিতে পারে না, এবং অবশ্যই এইরকম অবর্ণ্নীয় পাশবিক কাজ করতে পারে না। দ্বিতীয়ত, এই ঘটনা স্পষ্ট দেখায় যে সবরকম ধর্মভিত্তিক সংগঠনের মধ্যেই নিহিত থাকে সত্ত্বর প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতিতে দ্রুত অধঃপতিত হওয়ার বিপদ। এই কথা কেবল তাদের জন্য খাটে না, যারা হিন্দুত্ব বা রাজনৈতিক ইসলামের ভিত্তিতে সংগুঠিত হচ্ছে। এই কথা খাটে সমানভাবে ক্রিশ্চান মৌলবাদ, বৌদ্ধ মৌলবাদ, বা বর্তমান ক্ষেত্রে শিখ মৌলবাদ প্রসঙ্গে। যে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে, সেটা এই না, যে ধর্মকে নিন্দা করা জরুরী, এবং কেবলমাত্র নাস্তিকতা, নিরীশ্বরবাদের মূল্যবোধ ঊর্ধে তুলে ধরতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাটা হল, আমরা মানুষের ব্যক্তিগত ধর্মবিশ্বাস থাকার, তা পালন করার অধিকারের মর্যাদা রাখব, কিন্তু বামপন্থী সাংগঠনিক উদ্যোগকে সবসময়েই ধর্মীয় গোষ্ঠীদের বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে।  আমাদের লড়াই হল সবরকমের শোষণ-নীপিড়নের বিরুদ্ধে, উন্নততর পৃথিবীর জন্য লড়াই। এই উদ্দেশ্য নিয়ে সংগঠিত হলে সব বিশ্বাসের, সব ধর্মের মানুষকে  নিতে হবে, কিন্তু সেটা ধর্মভিত্তিক সংগঠনের মাধ্যমে হতে পারে না। তৃতীয়ত, চলমান কিসান আন্দোলনকে এই বর্বর হত্যাকান্ডের জন্য দায়ী করা ভুল। যে কিসান আন্দোলন চলছে, সেটা ভারতের অন্যতম দীর্ঘ গণ আন্দোলন, এবং এই আন্দোলন চলছে যে সরকারের বিরুদ্ধে, সেটা সম্ভবত স্বাধীন ভারতে দেখা গেছে এমন সবচেয়ে পাশবিক এবং নিপীড়ক কেন্দ্রীয় সরকার। এই আন্দোলন তার বর্তমান আকারেই ১৪ মাসের বেশীদিন ধরে চলছে, এবং তা প্রায় সম্পূর্ণই অহিংস ছিল। আমরা যখন এই নৃশংস হত্যার নিন্দা করি এবং হত্যাকারীদের বিচারের দাবী করি, তখন, তার সঙ্গে সঙ্গেই, আমরা এই আন্দোলনের উপর দক্ষিণপন্থী আক্রমণের বিরোধিতা করি।   

 

সবশেষে আমরা আর একটি, কম উল্লিখিত ঘটনার দিকে ফিরে তাকাতে চাই। পশ্চিমবঙ্গ থেকে একজন ২৬ বছর বয়স্কা মেয়ে কৃষক আন্দোলনের যে কর্মীরা পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে বিজেপি বিরোধী প্রচারে এসেছিলেন তাদের সঙ্গে যোগ দেন এবং  তাদের সঙ্গে টিকরি সীমান্তে আসেন। অভিযোগ করা হয়েছে যে পথে কিসান সোশ্যাল আর্মি নামের একটি সংগঠনের সদস্যরা তাঁকে আক্রমণ করে এবং আরো অভিযোগ করা হয়েছে যে টিকরিতে থাকার সময়ে তাঁকে ওই হয়রানিকারীরা ধর্ষণ করে। কোভিডের দ্বিতীয় প্রকোপের সময়ে তাঁর কভিডে মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর বাবা এফ আই আর করেন।  

 

অবশ্যই, বিজেপি তথা সঙ্ঘ পরিবারের দক্ষিণপন্থী সমর্থকরা উপরের ঘতনাতিকে কখনো কখনো ব্যবহার করেছে, আন্দোলনের দিকে কাদা ছেটাতে। আমাদের আন্দোলনে প্রতি সংহতিতে অবিচল থাকতে হবে, কিন্তু সেটা গণ জমায়েতের প্রগতিশীল ক্ষেত্রের মধ্যেও যে কিছু অত্যাচার বা নিপীড়নের ঘটনা ঘটতে পারে, তাকে ঝাঁট দিয়ে লুকিয়ে রেখে না। এই রকম ঘটনাকে সামনে এনে প্রতিবাদ করলে আন্দোলন ক্ষতিগ্রস্থ হবে না। আন্দোলন ক্ষতিগ্রস্থ হবে, আমাদের শক্তি কমে যাবে, যদি মেয়েরা, দলিতরা (লাখবীরের মত), এবং অন্যান্য অত্যাচারিত গোষ্ঠীর মানুষরা নির্ভয়ে আমাদের আন্দোলনে যোগ দিতে না পারে। আমরা যেরকম সমাজে বাস করি, তাতে এটা স্বয়ংক্রিয় ভাবে হবে না।  এর জন্য আমাদের সব সময়ে এই রকম ঘটনা সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে, এবইং আন্দোলনের নামে কখনো এমন ঘটনাকে লুকিয়ে রাখলে হবে না। এটাই হবে অন্যায় যেখানে, যেভাবে মাথা তোলে তার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমাদের অঙ্গীকার, এবং এটাই আমাদের লড়াইকে মজবুত করবে।

 

১৮/১০/২০২১

 

Statement of Radical Socialist (West Bengal unit) Concerning the Recent Communal Violence in Bangladesh

Radical Socialist condemns in the strongest language the setting of fire on idols and Durga puja  pandals, temples, destruction of homes belonging to minority Hindus, killings, in Comilla and other places in Bangladesh over the issue of keeping the Quran underneath an idol in one Durga Puja place in Comilla, Bangladesh. Radical socialist demands that the guilty people must be identified and immediately subjected to exemplary punishment.

Already, leftist and progressive forces in Bangladesh have come out on the streets to protest and resist. And meanwhile the BJP-RSS Sangh family is trying to use this to further carry out communal polarization in India, notably in West Bengal.  They are busy trying to show how Hindus are under threat. But they want to erase from public understanding the reality that this is a worldwide problem faced by minorities.

This is the trauma of Muslims in India and Palestine, of Hindus in Bangladesh, and the Rohingya ethnic community in Myanmar, who are also Muslims.

Radical socialist supports the defence of the rights of minorities, whether in India or Bangladesh or any other corner of the world.

The geographical area of South Asia, which had been formerly a British colony, has seen one communalism sustaining another, helping each other grow. The ruling classes of the concerned countries fully utilise these, and internationally, the big economic and political powers in their geopolitical rivalries also fully use these conflicts.

Accordingly, in this geographical area, leftist and progressive forces have no alternative to abandoning narrow nationalist positions and joining the struggle together.

Radical Socialist believes that in this sub-continent in the struggles against fascism and communalist fundamentalism all leftist and progressive forces must work unitedly regardless of which country they are in.

Radical Socialist, West Bengal unit

18.10.2021

Radical Socialist Statement Condemning the Brutal Killing of Lakhbir Singh

 
In the early hours of October 15, Lakhbir Singh, a 35-year old labourer from the Mazhabi Sikh community (Dalits who converted to Sikhism), was brutally tortured and murdered at the protest site at Singhu border near Delhi. It has been alleged that Lakhbir Singh had attempted to steal the holy scriptures of the Sikh community. Members of the Nihang Sikh sect have come forward and taken the responsibility for the barbaric act. Not only have the leaders of the Nihang community not shown any sign of remorse for the incident they have gone on to proclaim that they defend and might repeat the same act in case there was any repeat of blasphemy in the future. The Samyukta Kisan Morcha (SKM) has already denounced the killing and have distanced themselves from the Nihangs. The Hindutva right has been quick to take this opportunity to claim that the farmers’ protests as a whole is responsible for break down in law order and for moral degeneration more generally.
 
Firstly, we on the left unequivocally denounce such a brutal killing of an ordinary working class person. Even if it is proved beyond any doubt that Lakhbir Singh was guilty of blasphemy individuals cannot take the law into their own hands and carry out acts of indescribable brutality. Secondly, this clearly demonstrates that all religious organizing carries with it the potential danger of quickly collapsing into reactionary politics. This is true not just for those organizing around questions of Hindutva or political Islam, but is equally true of Christian fundamentalists, Buddhist fundamentalists, and in this case Sikh fundamentalists. The important lesson to draw is not to condemn religion and only uphold values of atheism. The important lesson is that while we respect people’s right to practice and have their own faith, left organizing must always be wary of religious groups. Ours is a fight against exploitation and oppression for a better world. Organizing for this aim can and must have people from all faiths and religions, but cannot be based around religious organizing. Thirdly, it is wrong to hold the farmers’ movement in general responsible for this barbaric act. The current farmers’ movement is one of the longest standing movements in India, and is against arguably the most brutal and oppressive central government, independent India has ever seen. The movement in its current form has already been running for more than 14 months and has been almost entirely non-violent in character. We must defend the movement from right-wing attacks while we condemn this brutal killing and call for the perpetrators to be brought to justice.
 
Lastly, we would like to underscore another less highlighted incident. A 26-year old woman activist from Bengal joined members of the farmers’ movement who were campaigning against the BJP for the state assembly election in WB. She came with them to the Tikri border. On the way, it has been alleged, she was assaulted by members of the Kisan Social Army. It has been further alleged that later during her stay at Tikri she was raped by those who were harassing her for a while. She contracted and died of Covid during the deadly second wave. After her death, her father has filed an FIR.
 
Of course, the above incident has sometimes been cynically used by right-wing supporters of the BJP and Sangh Parivar to discredit the movement in general. We need to stand firmly in support of the movement but never at the cost of brushing under the carpet incidents of oppression that may happen within such progressive spaces of mobilisation. This will not undermine the movement. What will truly undermine our strength is when women, Dalits (like Lakhbir Singh) and other members of an oppressed community are unable to join our movement without fear. Given the kind of society we live in this is not going to happen automatically. It will require us to be ever vigilant about such incidents and to never hush up any such incident for the sake of the movement. That will be a testament to our commitment to fighting injustice whenever and wherever it raises its ugly head, and will ultimately strengthen our struggles.
 
Radical Socialist demands that due punishment be done to the perpetrators of sexual violence at the Tikri border and urge all those involved in progressive organizing to be vigilant about such atrocities. Radical Socialist also demands that the perpetrators of the brutal murder of Lakhbir Singh be brought to justice. Two people have been arrested so far, and one of them is Dalit. Irrespective of their faith and social background, people who are found guilty of this crime should be held accountable. However, this should not be lead to any further victimization of the family members of Lakhbir Singh, and they should be duly compensated by the state.

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক হানাহানির পরিপ্রেক্ষিতে আব্বাস সিদ্দিকীর বক্তব্য সম্বলিত ভিডিও এবং তার প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে র‍্যাডিক্যাল সোশ্যালিস্টের মতামত

 
এই বছরেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের প্রকাশিত পুস্তিকায় বামপন্থীদের সমর্থনের কথা বললেও, তাদের শরিক পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকীর দ্বারা প্রভাবিত আই এস এফকে সমর্থনের ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছিলাম। বলেছিলাম, নির্বাচনের মুখে একজন মুসলিম ধর্মগুরুর প্রভাবে সদ্য তৈরি হওয়া আই এস এফ সম্পর্কে তাৎক্ষণিক অবস্থান নিতে আমরা প্রস্তুত নই, প্রয়োজন আরও পর্যবেক্ষণের। একদিকে তাঁর নারীবিরোধী মনোভাব এবং উগ্র ধর্মীয় উস্কানি সম্পর্কে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম, আর অন্যদিকে বহুজনের সামাজিক অধিকারের প্রশ্নে তার জোরালো ইতিবাচক বক্তব্যের কি পরিণতি হয় তার দিকে দৃষ্টি দিতে চেয়েছিলাম।
 
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক হানাহানির পরিপ্রেক্ষিতে আব্বাস সিদ্দিকীর মতামত সম্বলিত একটা ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায়, এই বিষয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করা জরুরি মনে হয়েছে। ওই ভিডিওতে আব্বাস সিদ্দিকীর মতামত একেবারেই অপ্রত্যাশিত নয়। আমরা ওই উস্কানিমূলক সাম্প্রদায়িক বক্তব্যের জোরালো নিন্দা করছি। যদিও, দলগত ভাবে আই এস এফ অন্যরকম বিবৃতি প্রকাশ করেছে, তথাপি পীরজাদার বক্তব্যের গুরুত্ব কোনোভাবেই লঘু হয়ে যায় না।
 
একই সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করছি এই ভিডিওকে কেন্দ্র করে এখানকার বামপন্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে বলি, নির্বাচনের সময়েই আমরা দেখেছিলাম এবং ওই পুস্তিকায় বলেছিলাম, শুধুমাত্র বিশুদ্ধতার পরাকাষ্ঠা হয়ে অর্থনৈতিক শোষণ ও সামাজিক নিপীড়ণের বিরুদ্ধে লড়াই সফল হতে পারে না, দরকার ভারসাম্যের মনোভাব। ক্লেদ, কালিমা থেকে গা বাঁচিয়ে নয়, তাকে সঙ্গে করে, বৃহত্তর লড়াইয়ের সঙ্গেই ওই সমস্ত ত্রুটি বিচ্যুতির বিরুদ্ধে জেহাদ সম্ভব। অথচ, একদল বামপন্থী বহুজনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও আর্থিক উত্তোলনের প্রয়োজনে দীর্ঘমেয়াদি কাজকর্মের বদলে স্রেফ ক্ষমতার লোভে তাৎক্ষণিক বোঝাপড়ায় সুবিধাবাদকে আশ্রয় করছে। আর, আরেকদল বামপন্থী ক্ষুদ্র গোষ্ঠী রাজনীতির বায়বীয় সাফল্যে বুঁদ হয়ে চরম দেউলিয়াপনার প্রকাশ করে যাচ্ছে। এই দুধরণের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে এগোনোই এখন কাম্য।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক হিংসার বিরুদ্ধে র‍্যাডিক্যাল সোশ্যালিস্টের বিবৃতি:

 

 

― বাংলাদেশের কুমিল্লায় এক দুর্গাপূজার মন্ডপে এক মূর্তির তলায় কোরান রেখে দেওয়া এবং তাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লাসহ সে দেশের নানান জায়গায় মূর্তি, মন্ডপ, মন্দিরে অগ্নিসংযোগ, সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়িঘর ভাঙ্গচুর, প্রাণহানি প্রভৃতি ঘটনাকে র‍্যাডিকাল সোশ্যালিস্ট তীব্র ভাষায় নিন্দা করে ও ধিক্কার জানায়।একই সাথে এই ঘটনা পরম্পরায় দোষীদের চিহ্নিত করে, অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।

 

 ― ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বাম আন্দোলন ও প্রগতিশীল শক্তি এই ঘটনার বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করছে, আর একে কেন্দ্র করে ভারতে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে, সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি-আর এস এস - সংঘ পরিবার। তারা হিন্দুরা কতটা আক্রান্ত দেখাতে ব্যস্ত। কিন্তু এটা যে সারা দুনিয়ার সংখ্যালঘুদের সমস্যা তা জনমানস থেকে মুছে ফেলতে চাইছে। 

 

― এই সমস্যা ভারত আর প্যালেস্তাইনের ক্ষেত্রে  মুসলিমদের, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে হিন্দুদের আর মায়ানমারে এক নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর রোহিঙ্গাদের, যারা ইসলাম ধর্মাবলম্বী। 

 

― র‍্যাডিকাল সোশ্যালিস্ট সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষার পক্ষে, তা ভারতে বা বাংলাদেশে বা পৃথিবীর যে কোন প্রান্তেই হোক। 

 

― দক্ষিণ এশিয়ার এই ভৌগোলিক অঞ্চলে(পূর্বতন ব্রিটিশ উপনিবেশ) এক সাম্প্রদায়িকতা অন্য দেশের বিপরীত সাম্প্রদায়িকতাকে জল হাওয়া দিয়ে বাঁচিয়ে রাখে, বাড়তে সাহায্য করে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর শাসকশ্রেণী তার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বড় অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তিরাও ভূ-রাজনীতিতে এই দ্বন্দ্বকে পুরোপুরি ব্যবহার করে।

 

― অতএব, এই ভৌগোলিক অঞ্চলের বামপন্থী ও প্রগতিশীল শক্তিকে সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী অবস্থান পরিত্যাগ করে, যৌথভাবে লড়াইতে সামিল হওয়ার কোন বিকল্প থাকছে না।

 

― র‍্যাডিকাল সোশ্যালিস্ট মনে করে এই উপমহাদেশে ফ্যাসিবাদ ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে দেশ নির্বিচারে সব বাম ও প্রগতিশীল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।

 

(১৮.১০.২১)

Subcategories